রেশন কুপন তালিকায় নাম নেই পরিযায়ী শ্রমিকদের, ক্ষোভ

মহম্মদ নাজিম আক্তার, হরিশ্চন্দ্রপুর,০৮ জুন:কেউ হেঁটে,কেউ বা সাইকেল চালিয়ে আবার কেউ বা বাস, ট্রাক,লরি ও শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে বাড়ি ফিরেছেন। পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে থানায়‌ নামও নথিভুক্ত করেছেন। হাসপাতালে স্ক্রিনিং টেস্ট ও লালারস পরীক্ষাও করিয়েছেন। এমনকি কোয়ারেন্টাইন‌ সেন্টারে ১৪ দিন থেকেছেন।পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে সার্টিফিকেট রয়েছে। অথচ সেই সমস্ত পরিযায়ী শ্রমিকদের সরকারি রেশন কুপন তালিকায় নাম নেই। ক্ষোভ শ্রমিকদের মধ্যে।

জানা গেছে যে সমস্ত পরিযায়ী শ্রমিক ভিন রাজ্য থেকে বাড়ি ফিরেছেন তাদেরকে সরকার রেশন দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। মালদা জেলা শাসকের নির্দেশে সোমবার থেকে প্রতিটি ব্লকের পঞ্চায়েতে রেশন কুপন বন্টন শুরু হয়েছে। কিন্তু বেশিরভাগই শ্রমিকের নাম নেই সেই তালিকায়।

হরিশ্চন্দ্র-১ নং ব্লক এলাকায় প্রায় ৭ হাজারের উর্ধ্বে পরিযায়ী শ্রমিক বাড়ি ফিরে এসেছে। কিন্তু জেলা শাসকের পাঠানো তালিকায় মাত্র ২২৭৮ টি নাম রয়েছে। এদের মধ্যে অনেকে আবার পরিযায়ী শ্রমিক না।কেউ আবার ভিন রাজ্য থেকে বাড়ি ফিরেইনি অথচ রেশন কুপন তালিকায় তার নাম রয়েছে।পরিযায়ী শ্রমিকদের রেশন কুপন তালিকায় নাম না থাকায় এলাকায় ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

বিশেষ সূত্রে জানা যায় প্রায় একমাস আগে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য মমতা ব্যানার্জি ‘স্নেহের পরশ’ বলে এক প্রকল্প চালু করেন। পরিবার প্রতি এক হাজার টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন।স্নেহের পরশ মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে আবেদন করার কথাও বলেন। আবেদন করার কয়েকদিনের মধ্যেই অনেকেই এক হাজার টাকা করে পেয়ে যান বলে খবর।সেই স্নেহের পরশ তালিকায় যাদের নাম রয়েছে ‌তারাই শুধু ‌রেশন কুপন পেয়েছে বলে জানা যায়। অপরদিকে কুশিদার উত্তর রামপুর গ্রামেও শ্রমিকদের তালিকায় নাম না থাকায় ক্ষোভ শুরু হয়েছে।

মহেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান জয়নব নেশা জানান, মালদা জেলা শাসক থেকে তালিকা এসেছে। স্নেহের পরশ আবেদন কারিরা শুধুমাত্র এই রেশন কুপনের সুবিধা পেয়েছে ।দুই মাস ৩০ কেজি করে চাল ও দুই কেজি করে ডাল পাবে বলে জানান।